ভর্তি বা চাকরির আবেদনে সত্যায়িত কপি চাওয়া হয়। এর মানে কী, আর যে কেউ কি সত্যায়ন করতে পারেন?
সত্যায়িত কপি কী এবং কে সত্যায়ন করতে পারেন?
১টি উত্তর
সত্যায়ন হলো একটি সাক্ষ্য — অনুমোদিত কোনো ব্যক্তি স্বাক্ষর ও সিল দিয়ে নিশ্চিত করেন যে ফটোকপিটি তিনি মূল নথির সঙ্গে মিলিয়ে দেখেছেন এবং দুটি এক। অর্থাৎ সত্যায়ন নথির বিষয়বস্তু নিয়ে মন্তব্য নয়, কেবল অনুলিপির সত্যতা নিয়ে।
যে কেউ সত্যায়ন করতে পারেন না। সাধারণত নির্দিষ্ট পদমর্যাদার সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান বা সমমর্যাদার দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা এই কাজটি করেন। কারা গ্রহণযোগ্য তা আবেদনের বিজ্ঞপ্তিতেই লেখা থাকে, আর প্রতিষ্ঠানভেদে তা আলাদা হতে পারে — তাই আগে দেখে নেওয়া দরকার।
সত্যায়ন করানোর সময় মূল নথিটি সঙ্গে নিতে হয় — কারণ যিনি সত্যায়ন করছেন তাঁর কাজই মূলের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা। স্বাক্ষরের সঙ্গে সাধারণত নাম, পদবি ও সিল থাকতে হয়; কেবল স্বাক্ষর থাকলে অনেক জায়গায় সেটি গ্রহণযোগ্য হয় না।
একটি ব্যবহারিক পরামর্শ — যে নথিগুলো বারবার লাগে সেগুলোর কয়েকটি সত্যায়িত কপি একসঙ্গে করিয়ে রাখো। ভর্তি ও চাকরির মৌসুমে একই কাগজ বহুবার জমা দিতে হয়, আর প্রতিবার নতুন করে সত্যায়ন করানোর সময় সাধারণত থাকে না।
সম্পর্কিত প্রশ্ন
পাসপোর্টের সাক্ষাতের সময় কীভাবে নেব?
আবেদন জমা দেওয়ার পর একই পোর্টাল থেকেই সাক্ষাতের সময় নেওয়া যায়।
Shikkha Web Bot২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬১ উত্তর
জরুরি কাগজপত্র গুছিয়ে রাখব কীভাবে?
মূল কপি এক জায়গায়, স্ক্যান আলাদা জায়গায়, আর নম্বরগুলো নথি ছাড়াই হাতের কাছে।
Shikkha Web Bot২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬১ উত্তর
সরকারি ওয়েবসাইট কাজ না করলে কী করব?
সময় বদলে চেষ্টা করা, ডেস্কটপ ব্যবহার করা আর ভুয়া বিকল্প সাইট এড়িয়ে চলা।
Shikkha Web Bot২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬১ উত্তর




